রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ, চাঁদাবাজি হবে শেষ
পরিচয় গোপন রেখে বা প্রকাশ করে চাঁদাবাজির ঘটনা রিপোর্ট করুন।
—
জমাকৃত রিপোর্ট
—
যাচাইকৃত ঘটনা
—
ইউজার অনুরোধ
সর্বশেষ রিপোর্ট
কমিউনিটির জমা দেওয়া সাম্প্রতিকতম ঘটনাগুলির সাথে আপডেট থাকুন।
সন্দেহভাজন
তারিখ: ১৫/০২/২০২৬ইং বরাবর, এমপি মহোদয় ঢাকা ১৬ আসন মাধ্যম: যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিষয়: সদস্য সচিব পল্লবী থানা স্বেচ্ছাসেবক দল এর বিরুদ্ধে অপহরণ করে বিএনপি ক্লাবে নিয়ে চাঁদা নেয়া প্রসঙ্গে। বাদীর নাম ও ঠিকানা: জন্ম নিবন্ধন নাম্বার ও মোবাইল নাম্বারঃ মোঃ রাহাত হোসেন (২৯), পিতা-মোঃ আলমগীর হোসেন মিয়া, মাতা; নার্গিস বেগম, সাং- বালিয়াতলী, থানা- মুলাদী, জেলা- বরিশাল, জুরাইন, বিক্রমপুর প্লাজা, বউবাজার, রেল লাইন সংলগ্ন, ঢাকা। মোবাঃ 01531-301418, এনআইডি নং- ৬০০১৬৯২৮৩০। ঘটনাস্থলঃ পল্লবী থানাধীন সেকশন-৭ মোহনা টেলিভিশন সেন্টার ভবনের পিছনে গলি আলফুয়াত কমিউনিটি সেন্টার এর সাথে, বেসিক ব্যাংকের পেছনে। ঘটনার তারিখ ও সময়: ১০/০৯/২০২৫ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২.০০ ঘটিকা থেকে ০৬.১৫ ঘটিকা পর্যন্ত । স্বাক্ষীদের নাম ও ঠিকানার পরবর্তীকে হাজির করা হইবে। জনাব বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোঃ রাহাত হোসেন (২৯), পিতা-মোঃ আলমগীর হোসেন মিয়া থানায় হাজির হয়ে বিবাদীদের নাম ও ঠিকানা: ১। রবিউল করিম বাবু ওরফে মুহুরী বাবু (৪০)। সদস্য সচিব, পল্লবী থানা স্বেচ্ছাসেবক দল। পিতা- অজ্ঞাত। ২। মামুন (৪০), পিতা-অজ্ঞাত, ৩। সাগর (৩৩), পিতা-অজ্ঞাত, উভয় সাং সেকশন: ৬, ৬নং বাজারের সাথে ভোলা কম্পিউটারের দোকান, থানা-পল্লবী, ঢাকা, ৪। রানা (৩৫), পিতা-অজ্ঞাত, ৫। দেলোয়ার (৩৬), পিতা-অজ্ঞাত, ৬। ফরিদ (৪৫), পিতা-অজ্ঞাত, ৭। মোঃ আরমান হোসেন রাসেল (৩৫)। পিতা - অজ্ঞাত, পল্লবী থানা ছাত্রদল, ঢাকা মহানগর পশ্চিম। সর্ব সাং-অজ্ঞাত, থানা-পল্লবী, ঢাকা সহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন বিবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, আমি বর্তমানে জুরাইন বিক্রমপুর প্লাজার পিছনে ”মদিনা মেডিকেল" নামক ঔষধের ফার্মেসী দিয়া ব্যবসা করি। বিগত ৭/৮ বছর আমি মিরপুর-৬ নম্বর এলাকায় বসবাস করার পর বিগত ২ বছর পূর্বে আমি অত্র এলাকা থেকে চলিয়া যায়। দীর্ঘদিন আমি অত্র এলাকায় থাকায় কারনে এবং চাকুরীর সুবাদে ২নং ও ৩নং বিবাদীদ্বয়ের দোকানে অফিসের কাগজপত্র লেখা ও প্রিন্ট করার জন্য যাইতাম। ২নং ও ৩নং বিবাদীদ্বয়ের দোকানে আসা যাওয়ার কারনে তাহাদের সহিত আমার পরিচয়। আমি অত্র এলাকা থেকে চলিয়া যাওয়ার পর ২নং ও ৩নং বিবাদীদ্বয়ের সহিত আমার যোগাযোগ নাই। ১০/০৯/২০২৫ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২.৪০ ঘটিকার সময় আমি পল্লবী থানাধীন সেকশন-৭ মোহনা টেলিভিশন সেন্টার ভবনের সামনে চায়ের দোকানে চা পান করার সময় ৪নং বিবাদী রানা (৩৫) এবং ৫নং বিবাদী দেলোয়ার (৩৬) দ্বয় উক্ত চায়ের দোকানে আসিয়া বলে "আপনি মিজানকে চিনেন" তখন আমি বলি "জ্বি, মিজান আমার পরিচিত"। তখন ৪নং বিবাদী রানা (৩৫) এবং ৫নং বিবাদী দেলোয়ার (৩৬) দ্বয় উক্ত মিজানের সাথে কথা বলিবে বলিয়া আমাকে ডাকিয়া পল্লবী থানাধীন সেকশন-৭ মোহনা টেলিভিশন সেন্টার ভবনের পিছনে আলফুয়াত কমিউনিটি সেন্টার এর সাথে বেসিক ব্যাংকের পেছনে একটি বাসার ভিতর রুমে নিয়া একই তারিখ ১২.৪৫ ঘটিকা থেকে ০৬.১৫ ঘটিকা পর্যন্ত আটক রাখিয়া ২নং ও ৩নং বিবাদীদ্বয় কর্তৃক মোবাইল ফোনে নির্দেশে ১নং বিবাদী আমার উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে এবং আমাকে হত্যা করিবে বলিয়া ছুরি, চাপাতি ও লোহার রড দিয়া প্রাণনাশের ভয়ভীতি প্রদর্শন করতঃ আমার ব্যবহৃত নগদ, বিকাশ, রকেট এ্যাকাউন্ট, ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি এর আস্থা অ্যাপস এবং আমার সাথে থাকা ডাচ্ বাংলা ব্যাংক এর এটিএম কার্ডের পাসওয়ার্ড গুলো জেনে কাগজে লিখে নেয়। তারপর আমার নামীয় নগদ এ্যাকাউন্ট মোবাইল নম্বর- ০১৭৪৯৮২৬২০৭ হইতে ১৫,৮০০/- টাকা তাহাদের নগদ এ্যাকাউন্ট মোবাইল নম্বর- ০১৮১০০৪৭৭২২ তে ক্যাশ আউট করে, বিকাশ এ্যাকাউন্ট মোবাইল নম্বর- ০১৭৪৯৮২৬২০৭ হইতে তাহাদের বিকাশ অ্যাকাউন্ট মোবাইল নম্বর - ০১৮১০০৪৭৭২২ (সর্দার এন্টারপ্রাইজ) তে ২,০০০/-টাকা ক্যাশ আউট করে, রকেট এ্যাকাউন্ট মোবাইল নম্বর- 017498262079 হতে তাহাদের রকেট এ্যাকাউন্ট মোবাইল নম্বর- ০১৮১০০৪৭৭২২৯ তে ৪,২০০/-টাকা ক্যাশআউট করে। এছাড়াও আমার নিজ নামীয় ব্যাংক হিসাব নং- 1371050025550, ডাচ্ বাংলা ব্যাংক পিএলসি, সাভার শাখা, ঢাকা এর এটিএম কার্ড হইতে ৫০,০০০/-টাকা উত্তোলন করে। এরপর ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি এর আস্থা অ্যাপ ব্যবহার করিয়া আমার নিজ নামীয় ব্যাংক হিসাব নং- 2055734320001, ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, মিরপুর-১ শাখা, ঢাকা হইতে ১,৫১,০০০/- টাকা তাহাদের ব্যাংক হিসাব নং- 22140122961 (রাজু), রেফারেন্ট নং-৫৪১১৪৫২৬ মূলে অন্য হিসাবে ট্রান্সফার করে এবং বিকাশ এ্যাকাউন্ট মোবাইল নম্বর- 01812160225 তে ২,৫০০/- টাকা পাঠায় এবং আমার নিজ নামীয় ব্যাংক হিসাব নং- 1055797750001, ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, মিরপুর-১ শাখা হইতে তাহাদের ব্যাংক হিসাব- 151120478535001 (মোঃ ইমরান হোসাইন), রেফারেন্স নং- ৫৭৪২০৩৩৮২ মূলে ১,১০,০০০/- টাকা ট্রান্সফার করে। উল্লেখিত বিবাদীরা সর্বমোট ৩,৩৫,৫০০/- (তিন লক্ষ পয়ত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা নিয়া সন্ধ্যা আনুমানিক ০৬.১৫ ঘটিকা আমার নিকট হইতে ১০০ টাকা মূল্যের ৩টি ননজুডিশিয়াল ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্পে আমার স্বাক্ষর রাখিয়া বাসা হইতে বাহির করিয়া দেয়। এরপর পল্লবী থানাধীন এসআই ইশানুর (মোবাইল: ০১৭৫৯৫৬১৮৬৮) এর তদন্তে করে দুই পক্ষকে একসাথে করার জন্য থানার আসার জন্য বলে, ১নং বিবাদী সহ সব বিবাদীগণ থানায় এসে বসে। আমিও বসি। থানায় বসে দুই পক্ষের মধ্যে কথা হয়। এরপর আমার টাকা ফেরত দিবে বলে ২৩/০৯/২০২৫ ঘটনাস্থনে বসে যেখানে আমাকে আটক রাখা হয়। সেখানে ১নং বিবাদী সহ বাকি বিবাদীগণ আমাকে ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার টাকা) দিয়ে আমার কাছ থেকে অভিযোগ প্রত্যাহার পত্রে ও আপোষ নামা পত্রে আমার জোর করে সাইন নিয়ে নেয় ও আমাকে হুমকি দেয় আমি যেন তাদের নামে অভিযোগ প্রত্যাহার করি। নাহলে তারা আমার নামে মামলা দিবে ও আমাকে যেখানে পাবে সেখানে আমার বড় ধরনের ক্ষতি করবে। আর আমাকে থানায় গিয়ে বলতে বলে যে আমি সব টাকা ফেরত পেয়েছি ও বিবাদীদের সাধারন ক্ষমা করে দিয়েছি। কিন্তু আমি স্বেচ্ছায় আপোষ নামায় সাইন করিনি। আমাকে জোরপূর্বক ভয়, জীবননাশের হুমকি দেখিয়ে বাধ্য করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে আমি টাকা ফেরত পাইনি।বর্তমানে আমি জীবননাশের ঝুঁকি আশঙ্কায় রয়েছি। মানসিক এবং অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত। অতএব, মহোদয় বর্ণিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে সু'মর্জি হয়। সংযুক্তি: ১। ব্যাংক স্টেটমেন্ট ২। সিসিটিভি ফুটেজ ৩। বিকাশ নগদ রকেটের ট্রানজেকশন স্টেটমেন্ট ৪। কমিটির পদবী লিস্ট ও ছবি বিনীত মোঃ রাহাত হোসেন (মোঃ রাহাত হোসেন) মোবাঃ ০১৫৩১৩০১৪১৮ এনআইডি নং-৬০০১৬৯২৮৩৬
সন্দেহভাজন
ভাই মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সামনে থেকে প্রতিদিন ২০০ টাকা করে দোকান প্রতি চাদা নেয় আব্বাস এর লোক অই খানে ১০০০ হাজার দোকান আছে।যেখানে প্রতিদিন ২ লাখ টাকা করে চাদা উঠে,এবং সুধু শুক্রুবারে চাদা নেয় ৪০০ করে যেখানে দোকান বসে প্রায় ৩০০০ হাজার এর মত আর প্রতি শুক্রবার চাদা উঠে ৬লাখ, আর এক মাসে চাদা উঠে ৭৬ লাখ টাকা যা সম্পুরনো বিএন পির পকেটে ভাই কিছু একটা করেন।আমি চাই না আমার নাম সামনে আসুক।
সন্দেহভাজন
উপরে উল্লেখিত ৩জন ব্যাক্তি চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার অন্তর্গত নজুমিয়াহাট তথা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস সাহেবের এলাকার কুখ্যাত যুবদল নেতা। এলাকায় চাদাবাজি, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসাসহ অসহায় ও মধ্যবিত্ত পরিবারদের জায়গা দখলের সাথে সরাসরি জড়িত। আমাদের বাড়ি নোয়াখালী কিন্তু আমার বাবা মা চট্টগ্রামের নজুমিয়াহাটে নিজেদের শেষ সম্বল দিয়ে কিছু জায়গাজমি কিনেছিলো যেখানে আমাদের একটা সেমি পাকা বসতঘর আছে যেখানে আমি, আমার স্ত্রী, আমার বাবা মা ও ছোট ভাই থাকি! দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা আমাদের বাসায় এসে আমাদেরকে থ্রেট দিচ্ছে যাতে বাড়িঘর ছেড়ে নোয়াখালী চলে যাই! অস্ত্রসহ এসে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে! ১০ লক্ষ টাকার চাঁদা দাবী করছে! আমরা থানায় জিডি করেও কোন সুরাহা পাচ্ছিনা। তারা শুধুই আমাদের নয় বরং আমাদের এলাকার বুড়িশ্চর জিয়াউল উলম কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মহোদয়কে থ্রেট দেয়া হয়েছিলো যে, ৫ লক্ষ টাকা দে! নয়তো পদ ছেড়ে বাড়িতে চলে যা! পরবর্তীতে মাদরাসায় হামলা হয়েছিলো যার সিসিটিভি ফুটেজ এখনও বিদ্যামান। নিম্নে সংযুক্ত করা হলো। আপনারা আমাদেরকে সহযোগিতা করিয়েন প্লিজ! আমরা অনেক অসহায়!!! আচ্ছা ভাইয়া! আমি অনেক চেষ্টা করছি ভিডিও আপলোড করার বারবার আপলোড ফেইল দেখাচ্ছে। যদি আমার সাথে আপনারা যোগাযোগ করেন আমি সব তথ্য দেব ইনশাআল্লাহ। তাদের কাছে অস্ত্রও আছে এই বিষয়ে হাটহাজারী সেনাবাহিনী ক্যাম্পকে জানিয়েছিলাম কিন্তু কোন সহযোগিতা পাইনি।
কিভাবে কাজ করে
দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর তিনটি সহজ ধাপ।
পরিচয় গোপন রেখে বা প্রকাশ করে চাঁদাবাজির ঘটনা বিস্তারিতভাবে জানান। আপনার বিবরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রিপোর্ট জমা দিন →অবহিত থাকার জন্য জমা দেওয়া সমস্ত রিপোর্টের একটি বিস্তারিত তালিকা ব্রাউজ করুন।
রিপোর্ট ব্রাউজ করুন →একটি ইন্টারেক্টিভ ম্যাপে বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজির প্রভাব দেখুন।
ম্যাপ দেখুন →সাধারণ জিজ্ঞাসা
এখানে আমাদের প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো।
রিপোর্ট অপসারণের অনুরোধ করুন
যদি আপনি মনে করেন কোনো রিপোর্ট ভুল, অপ্রাসঙ্গিক বা সরানো উচিত, আপনি একটি অপসারণের অনুরোধ করতে পারেন। আমাদের দল প্রতিটি অনুরোধ পর্যালোচনা করবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।